বিদেশী প্রযুক্তির উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে নিজস্ব প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে এগিয়ে থাকতে যৌথভাবে কাজ করবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) ‘সেন্টার অফ এক্সসিলেন্স অন ফোর্থ ইন্ডাস্টিয়াল রেভোলিউশন’ এবং ‘শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফর ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ তে যৌথভাবে রিসার্চ ও ইনোভেশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে।
ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই চুক্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন আইইবি’র প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম।
সমঝোতা স্মারকে আইইবি’র পক্ষে স্বাক্ষর করেন আইইবি’র সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ এবং আইসিটি বিভাগের পক্ষে স্বাক্ষর করেন যুগ্ম সচিব মো. আক্তরুজ্জান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সিআরআই এর কোঅর্ডিনেটর প্রকৌশলী তন্ময় আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তেব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অনেক। ‘সেন্টার অফ এক্সসিলেন্স অন ফোর্থ ইন্ডাস্টিয়াল রেভিউলেশন’ এবং ‘শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফর ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’তে কোর্স কারিকুলাম যুগোপযোগী করা এবং প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনায় আইইবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত জ্ঞান নির্ভর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করবে আইইবি ও আইসিটি ডিভিশন।
বিশেষ অতিথির বক্তেব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে 'ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি'র পাশাপাশি ‘সায়েন্স ডিপ্লোমেসি’ ও টেকনোলজি ডিপ্লোমেসি’ তেও আমাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিজ্ঞান গবেষণায় উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে একত্রে কাজ করতে, নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করতে এবং নিজস্ব প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে এই কূটনীতি সামনের দিনগুলোতে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আইইবি'র কম্পিউটার ডিভিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি প্রকৌশলী মো. রনক আহসান।